আমার খুব কাছ থেকে দেখা এক ঘটনা উল্লেখ করি। আমার এক নিকট আত্মীয় এক প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে চাকরি করতেন কোন এক বিদ্যালয়ে। অর্থাৎ আমার সেই নিকট আত্মীয় ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ওই বিদ্যালয়ে একজন সহকারি শিক্ষক ছিলেন যিনি মোটামুটি ভালো সংখ্যক শিক্ষার্থীকেই অর্থের বিনিময়ে প্রাইভেট পড়াতেন। একসময় ওই সহকারি শিক্ষক তার প্রাইভেট বানিজ্য সপ্রসারণে উদ্যোগী হলেন। তিনি প্রথান শিক্ষকের কাছে দাবী করলেন প্রাইভেট এর জন্য একটি ক্লাসরুম খুলে দিতে যাতে তিনি প্রাইভেট পড়াতে পারেন। প্রধান শিক্ষক দায়িত্বশীল মানুষ। তিনি এই আইন বিরোধী কাজে বিরোধিতা করলেন, ব্যক্তিগত কাজে সরকারী বিদ্যালয়ে্র আসবাবপত্র ব্যবহার করতে দিলেন নাহ। এবার সেই সহকারী শিক্ষক বুঝতে পারলেন প্রধান শিক্ষক থাকলে তিনি বিদ্যালয়েরRead More →

গায়ে গন্ধ, দেখতে বিশ্রী, কপালে টিপ, গোসল করেনা ইত্যাদি কথাগুলো নতুন হলেও প্রতিপক্ষ ব্লেমিং/ট্যাগিং এর এই কালচারটা কিন্তু আমাদের দেশে বহু পুরনো। যখন যুক্তি তর্ক কাজে আসে নাহ, তখন এই ট্যাগিং কালচার দিয়ে ভিন্নমতকে সহজেই ঘায়েল করা যায়, তাদের দাবী দাওয়া যুক্তি তর্ক উপেক্ষা করে তুচ্ছ দেখানো যায়, সেটা আমার দেশের মানুষ ভালোই জানে। উপরন্তু এটা এদেশের রাজনীতির জগতে সচরাচরই দেখা যায়। সে যাই হোক, এখন কথা বলি সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ নিয়ে। মানুষ তার অধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে প্রতিবাদী হবে এটাই স্বাভাবিক ছিল। অতীতেও এটা হয়ে এসেছে। সেক্ষেত্রে তাদের অধিকারের প্রসঙ্গ আলোচনায় আসতে পারতো। সেখানে পক্ষ বিপক্ষের যুক্তি আসতে পারতো। বর্ং সভ্য সমাজ জনগোষ্ঠীতে এটাইRead More →