সালটা তখন ২০২২। সে সময় পদ্মা সেতুর সবেমাত্র উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের পরদিনই সেতুকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য। সেটা তো খুব ভালো কথা। পদ্মা সেতু নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই, ভাবনারও শেষ নাই। তবে পদ্মা সেতু নিয়ে সবথেকে ইউনিক বা দুর্লভ ভাবনা এসেছিল হয়তো বায়োজিদ সাহেবের মাথায়। তার চিন্তা ভাবনার দূরত্ব এতই দুর্লভ ছিল যা হয়তো এই দেশের কারো মস্তিষ্কেই আসেনি। তো কি ছিল সেই বদবুদ্ধি সাহেবের (ভাই সাহেবকে ছদ্মনামেই ডাকলাম) দুর্লভ মস্তিষ্কের যুগান্তকারী পরিকল্পনা? উন্মুক্ত করার দ্বিতীয় দিনই সেই বদবুদ্ধি সাহেব ছুটে গেলেন পদ্মা সেতুতে। বহু উৎসাহে উৎসাহিত হয়ে পদ্মা সেতুর নাট বল্টু খুলে ভিডিও তৈরি করলেন এই ধারণা প্রতিষ্ঠিত করারRead More →

আমার খুব কাছ থেকে দেখা এক ঘটনা উল্লেখ করি। আমার এক নিকট আত্মীয় এক প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে চাকরি করতেন কোন এক বিদ্যালয়ে। অর্থাৎ আমার সেই নিকট আত্মীয় ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ওই বিদ্যালয়ে একজন সহকারি শিক্ষক ছিলেন যিনি মোটামুটি ভালো সংখ্যক শিক্ষার্থীকেই অর্থের বিনিময়ে প্রাইভেট পড়াতেন। একসময় ওই সহকারি শিক্ষক তার প্রাইভেট বানিজ্য সপ্রসারণে উদ্যোগী হলেন। তিনি প্রথান শিক্ষকের কাছে দাবী করলেন প্রাইভেট এর জন্য একটি ক্লাসরুম খুলে দিতে যাতে তিনি প্রাইভেট পড়াতে পারেন। প্রধান শিক্ষক দায়িত্বশীল মানুষ। তিনি এই আইন বিরোধী কাজে বিরোধিতা করলেন, ব্যক্তিগত কাজে সরকারী বিদ্যালয়ে্র আসবাবপত্র ব্যবহার করতে দিলেন নাহ। এবার সেই সহকারী শিক্ষক বুঝতে পারলেন প্রধান শিক্ষক থাকলে তিনি বিদ্যালয়েরRead More →

গায়ে গন্ধ, দেখতে বিশ্রী, কপালে টিপ, গোসল করেনা ইত্যাদি কথাগুলো নতুন হলেও প্রতিপক্ষ ব্লেমিং/ট্যাগিং এর এই কালচারটা কিন্তু আমাদের দেশে বহু পুরনো। যখন যুক্তি তর্ক কাজে আসে নাহ, তখন এই ট্যাগিং কালচার দিয়ে ভিন্নমতকে সহজেই ঘায়েল করা যায়, তাদের দাবী দাওয়া যুক্তি তর্ক উপেক্ষা করে তুচ্ছ দেখানো যায়, সেটা আমার দেশের মানুষ ভালোই জানে। উপরন্তু এটা এদেশের রাজনীতির জগতে সচরাচরই দেখা যায়। সে যাই হোক, এখন কথা বলি সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ নিয়ে। মানুষ তার অধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে প্রতিবাদী হবে এটাই স্বাভাবিক ছিল। অতীতেও এটা হয়ে এসেছে। সেক্ষেত্রে তাদের অধিকারের প্রসঙ্গ আলোচনায় আসতে পারতো। সেখানে পক্ষ বিপক্ষের যুক্তি আসতে পারতো। বর্ং সভ্য সমাজ জনগোষ্ঠীতে এটাইRead More →

সহনশীলতার পতন হলে খুব অচিরেই বাংলাদেশ আবার স্বাধীনতা থেকে অনেক দূরে সরে যাবে। একটা শ্রেণীর উত্থান হবে যারা শাসকের জুতো চাটবে। এরপর শাহবাগে বিচার চাই স্লোগান দিয়ে জড়ো হবে অন্যকোন দেশের এজেন্ডাধারী কতগুলো দালাল। কিছু উগ্র মৌলবাদীর উত্থান হবে। তারা বলবে, “জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করো, জাতীয় পতাকা পরিবর্তন করো, দেশের নাম রাখো বাংলাস্তান!” পাহাড়ের সশস্ত্র দলগুলো শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবে। এক সময় একত্রিত কন্ঠে বিশ্বজিৎ, আবু সাঈদ, ফেলানী আর তনু হত্যার বিচার কেউ চাইবে নাহ। মাত্রাতিরিক্ত নিজ সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেম আর উগ্রবাদী চেতনা ঘৃণার রাজনীতিকেই শক্তিশালী করবে। বিশৃঙ্খলা দমনে শাসক প্রথমে বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিবে। এরপর জনপ্রিয়তা রক্ষায় ব্যর্থ শাসক ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে স্বৈরাচারে পরিনতRead More →